কাঁঠালের অংশই ফেলে দেওয়া যায় না। ফল থেকে শুরু করে বিচি নানা কাজে ব্যবহার করা যায়।
কাঁঠালের বিচি
জাতীয় ফল কাঁঠাল। যেমন মিষ্টি, তেমন রসালো। তাই অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই ফল। কাঁঠাল খাওয়ার পর সাধারণত এর বিচি ফেলে দেওয়া হয় না। রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। ভর্তা থেকে শুরু করে তরকারি বিভিন্ন উপায়ে এটি খাওয়া যায়।
নারকেল ও ডিম দিয়ে কাঁঠালের বিচি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর দেশীয় রান্না। কাঁঠালের বিচির সঙ্গে নারকেল ও ডিম দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি প্রোটিনেরও ভালো উৎস।
বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে সহজলভ্য কাঁঠালের বিচি এবং পাটশাক দিয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ভাজি। স্বল্প উপকরণে রান্না করা এই পদটি ভাতের সঙ্গে খেতে যেমন মজাদার, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী।
স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় এখন নানা ধরনের বীজের কদর বেড়েছে। চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, কুমড়ার বিচি, কাজু বা কাঠবাদাম—এসব খাবারকে অনেকেই সুপারফুড হিসেবে নিয়মিত খেয়ে থাকেন।
ভিন্ন স্বাদ ও ঘ্রাণের এই হালুয়া পরিবারের সবার জন্য হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর ও মুখরোচক খাবার।
কাঁঠালের বিচি যেমন খেতে দারুণ সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও অনন্য। কাঁঠালের বিচি দিয়ে রান্না করা যায় হরেক পদ।
কাঁঠালের মতো এর বিচিও কিন্তু পুষ্টিগুণে ঠাসা। রান্নায় নানা উপায়ে ব্যবহার করা যায় কাঁঠালের বিচি।
জাতীয় ফল কাঁঠাল। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে কাঁঠালের পাশাপাশি এর বিচিও নানা পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। এতে আছে প্রতিরোধী স্টার্চ, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।